জুলাই ২৬, ২০২১ ১ : ৪৯ পূর্বাহ্ণ
Breaking News
Home / Tech / তাঁরা নিজেরাই এখন খবর
chuadanga-dristik-nirbachon

তাঁরা নিজেরাই এখন খবর

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: 

১৫ বছর ধরে সাংবাদিকতায় আছেন। এরই মধ্যে একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের খবরাখবর সংগ্রহ ও পরিবেশন করেছেন গণমাধ্যমে। কিন্তু আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি নিজেই এখন খবর।

তিনি সাংবাদিক আশরাফুল হক ওরফে বিপুল আশরাফ। এসএ টেলিভিশনের চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি। জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন আশরাফ। জেলার স্থানীয় সংবাদপত্র প্রতিদিনের নতুন খবর-এর নিজস্ব প্রতিবেদক মামুন মোল্লাও সদস্যপদে নির্বাচন করছেন।

সাংবাদিকের চোখ দিয়ে এ দুই সাংবাদিক বিগত সময়ে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচনের রকমারি অভিজ্ঞতা নিয়েছেন। প্রার্থীদের মুখ থেকে শুনেছেন বিচিত্র অভিজ্ঞতার গল্প। নিজেরাই ভোটযুদ্ধে কেমন অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন তাঁরা? নির্বাচনকে সামনে রেখে এ বিষয়ে কেউই সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি। তবে আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়েছেন, তাঁরা নিত্য বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। পুরো কর্মযজ্ঞকে উপভোগ করছেন। কিন্তু তিক্ত অভিজ্ঞতার ঝুলিও বেশ বড়।

জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপদ প্রার্থী আশরাফুল হক , ‘জেলা পরিষদ জেলার উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। স্থানীয় উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠান অনেক ভূমিকা রাখতে পারে। নির্বাচিত হলে আমি সুষম উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারব।’

 অটোরিকশা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা আশরাফুল চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। গতকাল রোববার তাঁর সঙ্গে প্রচারণায় দেখা গেল প্রেসক্লাবের সভাপতি আজাদ মালিতা, সহসভাপতি রফিকুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে। আজাদ মালিতা বলেন, ‘সমাজ উন্নয়নে সাংবাদিকেরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। জেলা পরিষদের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারলে উন্নয়ন নতুন মাত্রা পাবে।’

১ নম্বর ওয়ার্ডে সাংবাদিক আশরাফুলের সামনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন দুজন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগের সমর্থক মো. শহিদুল ইসলাম সাহান (তালা) ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান কবীর (হাতি)।

 ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপদ প্রার্থী সাংবাদিক মামুন মোল্লার প্রতীক তালা। তাঁর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন তিন প্রার্থী। তাঁরা হলেন দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. আবদুল হক (অটোরিকশা), মুহা. রুস্তম আলী (টিউবওয়েল) ও মো. মোসাবুল ইসলাম লিটন (হাতি)। মামুন মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, ‘অন্য প্রার্থীরা টাকা ছড়াচ্ছেন। তারপরও আমি অনেক ভোট পাব। আমি পাব ভালোবাসার ভোট।’

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্যপদে মোট ৫৭ জন প্রার্থী হয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ৩ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্যপদে ভোট হবে না। অবশ্য সেখানে সংরক্ষিত নারী ও চেয়ারম্যান পদের জন্য ভোট হবে। সদস্যপদে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন ১১ নম্বর ওয়ার্ডে (আটজন)। সবচেয়ে কম (মাত্র দুজন) রয়েছেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে।

Check Also

কোটচাঁদপুরে চলছে ৫ দিন ব্যাপি ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী পূজা

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) থেকে সুমনঃ হাজারো দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা আর ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্যের মধ্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *