অক্টোবর ১৭, ২০২১ ২ : ৫০ অপরাহ্ণ
Breaking News
Home / Tech / আলমডাঙ্গা খেজুরতলা গ্রামে একই রাতে ৬ বাড়িতে দূধর্ষ ডাকাতি,এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে

আলমডাঙ্গা খেজুরতলা গ্রামে একই রাতে ৬ বাড়িতে দূধর্ষ ডাকাতি,এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে

আলমডাঙ্গা প্রতিনিধি: আলমডাঙ্গা খেজুরতলা গ্রামে একই রাতে ৬ বাড়িতে দূধর্ষ ডাকাতি ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১২ টা থেকে শুরু করে রাত ৪ টা পর্যন্ত ডাকাত দল বিভিন্ন বাড়িতে ডাকাতি করে। ঘটনা স্থল থেকে একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে,আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুর তলা গ্রামের দুলু মিয়া ছেলে শিপনের বাড়ি থেকে নগত ৫০ হাজার টাকা। শাকের মন্ডলের ছেলে অহিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১০ হাজার টাকা,১ টি শর্ণের চেন,১ টি বাইসাইকেল,১ টি লাইট। শাকের মন্ডলের আর এক ছেলে রশিদুলের বাড়ি থেকে ৫ হাজার টাকা। আব্দুল বারীর ছেলে জহুরুলের বাড়ি থেকে ৫৪ হাজার টাকা,১টি শর্ণের চেন,২ জোড়া কানের দুল, ১ জোড়া তোড়া, ১ টি বাইসাইকেল, ১ টি মোবাইল ফোন। মৃত: জাহার মন্ডলের ছেলে নফর আলি বাড়ি থেকে ৯ হাজার টাকা, ১টি মোবাইল ফোন,১ জোড়া তোড়া। হাগুু মন্ডলের ছেলে রবিউলের বাড়ি থেকে ১ টি মোবাইল, ২ টি শাড়ি, ২ টি লুঙ্গি, ওড়না।সর্বসাফল্লে নগত টাকা সহ মোট ৩,০০০০০ লক্ষ টাকা মালামাল ডাকাতি হয়েছে বলে পারিবারিক সুত্রে যানা গেছে। দুলু মিয়া ছেলে শিপন ডাকাতি ঘটনার সাথে জড়িত সন্ধেহ ভাজন কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে বলেন,খেজুরতলা গ্রামের নাসির এর ছেলে রাজু, ইউছুপ এর ছেলে ইকদুল, ফরাং এর ছেলে সুইট, জানালমের ছেলে মাসুদ সহ আরও অনেকে আমার বাড়িতে ডাকাতি করতে এসেছিল। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য রুবেল হোসেন সাথে কথা বললে তিনি জানান, এলাকার কিছু ছেলেরা দীর্ঘদিন ধরে বাজি ধরা খেলা করে আসছে আর এই বাজির টাকা মেনেজ করার জন্য বিভিন্ন বাড়িতে ডাকাতি করছে। এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আকরাম হোসেন সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমি খবর পেয়েছি কয়েকটি পরিবারে ডাকাতি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য ঘটনা স্থলে এ,এস,আয় জিয়াকে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনা সাথে জারাই জড়িত থাকুক না কেন অপরাধীরা সকলে শাস্তি পাবে।

Check Also

জীবননগর -কালীগঞ্জ মহাসড়কের বৈদ্যনাথপুরে ঘাতক ট্রাক্টর কেড়ে স্কুল ছাত্রীর প্রাণ

আল-আমিন হাসাদাহ থেকেঃ শুকতারার আর যাওয়া হলো না অসুস্থ নানাকে দেখতে। নানাকে একটিবার শেষ দেখার সুযোগ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *