অক্টোবর ২০, ২০২১ ৩ : ৫৩ পূর্বাহ্ণ
Breaking News
Home / সারাবাংলা / মহেশপুরে মনোয়ারা ক্লিনিক এবং আ: আজিজ ক্লিনিকের অব্যবস্থাপনায় প্রসূতি ও শিশু মৃত্যুর রেশ না কাটতে আবার সীমা ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যু ! ডাক্তার নাস’ ছাড়ায় চলছে রমরমা ব্যবসা

মহেশপুরে মনোয়ারা ক্লিনিক এবং আ: আজিজ ক্লিনিকের অব্যবস্থাপনায় প্রসূতি ও শিশু মৃত্যুর রেশ না কাটতে আবার সীমা ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যু ! ডাক্তার নাস’ ছাড়ায় চলছে রমরমা ব্যবসা

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা: 
মহেশপুরে  জিন্নানগরের  মনোয়ার ক্লিনিক  ও আব্দুল আজিজ ক্লিনিকের প্রসূতি ও নবজাতের মৃত্যুর ঘটনাররেশ কাটতে না কাটতেই আবার সীমা ক্লিনিকে অবহেলায়  নবজাতকের মৃত্যু,তোলপাড় এলাকা ।মহেশপুরের মেইন বাসষ্টান্ডে  অবস্থিত সীমা ক্লিনিকে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে কোনো ডাক্তার বা নার্স ছাড়াই চলছে এ ক্লিনিকের রমরমা ব্যবসা।
জানা যায়, গত ১২ জুন উপজেলার পাতিবিলা গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে শাহিনা খাতুন(20) এর প্রসব বেদনা উঠলে   তারা রোগীকে মহেশপুরে সেই আলোচিত  সীমা ক্লিনিকে ভতি করেন ।ক্লিনিকে কোনো ডাক্তার এবং ডিপ্লোমা নার্স না থাকায় ক্লিনিক মালিক আসাদুল, কথিত নাস’ আয়া  গর্ভবতী মাকে নরমাল ডেলিভারি করানোর চেষ্টা করে। এতে গর্ভবতী মায়ের অবস্থার অবনতি হলে জীবননগর  থেকে ডাক্তার হেলেনা আক্তার নিপাকে নিয়ে এসে রাতে  অপারেশন করানো হয় এবং মৃত কন্যা নবজাতকের জন্ম হয়। মূলত ডাক্তারের ভুল অপারেশন ও ক্লিনিকের অব্যবস্থাপনায় নবজাতকের শারিরীক অবস্থার অবনতি হয় এবং পরবতীতে নবজাতকে যশোরে পাঠানো হয়ে এবং সেখানে নবজাতকের মৃত্যু হয় । নবজাতকের মৃত্যু হলে ঐ পরিবারের লোকজনের সাথে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের ব্যাপক গোলযোগ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায় আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গোপনে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ পরিবারের সাথে সমঝোতা করে।
উল্লেখ্য, সীমা ক্লিনিকে কোন সাবক্ষনিক ডাক্তার নেই, ডিপ্লোমা নাস নেই, অপারেশনের হাইড্রোলিক টেবিল নেই, এ্যানাসথেশিয়া মেশিন নেই, ডায়াথামি মেশিন নেই, জেনারেটর নেই, যত্র তত্র ভাবে প্রতিমাসে প্রশাসনকে মাসোহাড়া দিয়ে চলছে এসব প্রতিষ্টান।  ২০১৫ সালে সীমা ক্লিনিকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এবং অপ-চিকিত্সায় রোগী ও নবজাতক মারা যাওয়ার কারণে ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কাছে ভবিষ্যতে আর ক্লিনিকের ব্যবসা করবো না এই মর্মে মুচলেকা দেয়। কিন্তু তারপরও মালিক আসাদুল ইসলাম অবৈধ সীমা ক্লিনিক টি   প্রশাসনের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচেছ ।
এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে মোবাইল  ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা ইউ.এইচ.এন্ড এফপিও ডাক্তার নাসির উদ্দিন জানান, এ বিষয়টি তার জানা নেই।
প্রকাশ থাকে যে ২০১৫ সালে যে রোগী মৃত্যু ও অব্যবস্থাপনার জন্য যে পাঁচটি অবৈধ ক্লিনিক প্রশাসন সিলগালা করেদেয় তার মধ্যে সীমা ক্লিনিক অন্যতম। মহেশপুরে সে সময় বন্ধ হয়ে যাওয়  অবৈধ ক্লিনিক   খালিশপুরে লালন শাহ ওরফে আক্দুল আজিজ ক্লিনিক ও জিন্নানগরের মনোয়ারা ক্লিনিকে গত মাসে প্রসূতি ও নবজাতক মূত্যুর জের কাটতে না কাটতে আবার সীমা ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুতে তোলপাড় মহেশপুর।
স্থানিয় এলাকাবাসী মহেশপুরে এসব ভুঁইফোড় অবৈধ ক্লিনিক গুলো বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে ।

Check Also

মহেশপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মারপিটের প্রতিবাদে, হামলাকারী শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ।

অমিত সরকার (মহেশপুর)ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের মহেশপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সাত্তারকে মারপিটের প্রতিবাদে হামলাকারী ফারুক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *