নভেম্বর ২৬, ২০২০ ৬ : ৩৭ পূর্বাহ্ণ
Breaking News
Home / জীবননগর / জীবননগর হাসাদহে যাত্রী উঠানো নিয়ে দুই মিশুক চালকের মধ্যে বাকবিতন্ডা প্রতিপক্ষকে দায়ের কোপে রক্তাক্ত জখমঃ গুরতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

জীবননগর হাসাদহে যাত্রী উঠানো নিয়ে দুই মিশুক চালকের মধ্যে বাকবিতন্ডা প্রতিপক্ষকে দায়ের কোপে রক্তাক্ত জখমঃ গুরতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ জীবননগর উপজেলার হাসাদহে যাত্রী উঠানো নিয়ে দুই মিশুক চালকের মধ্যে বাকবিতন্ডা শেষে প্রতিপক্ষকে দায়ের কোপে রক্তাক্ত জখম করার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, গতকাল বেলা ২টার দিকে জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ থেকে রায়পুর সড়কে যাত্রী উঠানো নিয়ে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন একই উপজেলার রায়পুর গ্রামের আলমের ছেলে নয়ন (২৫) ও একই উপজেলার বালিহুদা গ্রামের সদর আলীর ছেলে এরশাদ (৩২)। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নিলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে শান্ত করেন। কিন্তু তারপরও এরশাদ তাকে মারার হুমকি প্রদান শাষিয়ে তার নিজ বাড়ি বালিহুদায় চলে যায়। এরপর অপর মিশুক চালক নয়ন হাসাদাহ হতে যাত্রী নিয়ে রায়পুরের উদ্দেশ্য রওনা দিলে পথিমধ্যে বালিহুদা গ্রামের চার মাথা নামক স্থানে পৌছালে হুমকি প্রদানকারী এরশাদ গাড়ী চলন্ত অবস্থায় তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার হাতে ও পেটে দায়ের কোপ দিয়ে আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই মিশুক চালক নয়ন জ্ঞান হারান। স্থানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে তাকে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এই ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল গাফফার জানান যে, মিশুক চালক যাত্রী নিয়ে বালিহুদা চার মাথা নামক স্থানে উপস্থিত হলে অভিযুক্ত এরশাদ গাড়ীর গতিরোধ করে তার উপর প্রকশ্য দিবালোকে রাম দা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। আমি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে শেষ রক্ষা করতে পারিনি। গ্রামবাসীর কাছে অভিযুক্ত এরশাদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের কাছে জানান যে, এরশাদ এর আগে থেকেই উচ্ছৃঙ্খল। তার এলাকায় একাধিক চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে। উক্ত ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় রায়পুর ক্যাম্প ইনচার্য আব্দুল কায়য়ুম এর সাথে কথা বললে তিনি আমাদেরকে জানান যে, আমি ফোন পাওয়া মাত্রই আমার সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় কিন্তু ততক্ষনে স্থানীয় জনতা নয়নকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আমরা ঘটনার সাথে জড়িত এরশাদের বাড়িতে তাকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্য যায় কিন্তু সে পালিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।

Check Also

জীবননগর মর্নিং স্টার ক্লাবের ফুটবল খেলা উদ্বোধন

জীবননগর প্রতিনিধি ঃ স্বাস্থ্য সু-রক্ষায় খেলাধুলার কোন বিকল্প নাই ,এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জীবননগর মর্নিং …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *